এডুকেশন কনসালটেন্সি — প্রতিটি শিক্ষার্থী, প্রতিটি আবেদন, প্রতিটি কমিশন

বিদেশে পড়ার ফাইল মানে একজন শিক্ষার্থী, কয়েকটা আবেদন, অনেক ডকুমেন্ট, একটা ভিসা আর দুদিকে টাকার চলাচল — শিক্ষার্থীর হয়ে টিউশন ফি দেওয়া, আর মাস কয়েক পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিশন। এক্সেলে রাখলে কমিশনটাই চুপচাপ আদায় না হয়ে থেকে যায়।

শিক্ষার্থী ও তাদের আবেদন

প্রতিটি শিক্ষার্থীর ফাইলে ডকুমেন্ট আর প্রতিটি আবেদন — প্রতিষ্ঠান, প্রোগ্রাম, ইনটেক ও স্টেজ — থাকে, তাই কোন অফার বাকি, কোন ডিপোজিট দিতে হবে, কোন ভিসা চলছে তা ডেস্ক এক নজরে দেখে।

  • নিজের প্রতিষ্ঠান ও প্রোগ্রামের তালিকা
  • আবেদনের স্টেজ, ভিসা ও প্রি-ডিপারচার ট্র্যাকিং
  • শিক্ষার্থীর ডকুমেন্ট নিরাপদে সংরক্ষিত

শিক্ষার্থীর হয়ে দেওয়া টাকা

এজেন্সি শিক্ষার্থীর হয়ে কোনো ফি দিলে তা একবারই লেখা হয়: এজেন্সির খরচ আর শিক্ষার্থীর বিল একই এন্ট্রি থেকে তৈরি হয়, তাই কোনো টাকা বিল না করে বেরিয়ে যায় না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিশন যা সত্যিই আদায় হয়

প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা কমিশন সেই প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ক্লেইম হয়ে থাকে, আর টাকা এলে রসিদ তার সাথে মেলে — তাই না-পাওয়া কমিশন একটা দৃশ্যমান পাওনা, ভুলে যাওয়া ইমেইল নয়।

এজেন্সিরা যা জিজ্ঞেস করেন

শুধু এডুকেশন এজেন্সির জন্য?
না। এডুকেশন একটা মডিউল; একই অ্যাকাউন্টে টিকিটিং, ভিসা, ট্যুরিজম আর এজেন্সির হিসাব চলে।
বিশ্ববিদ্যালয় কত দেবে তা ট্র্যাক হয়?
হ্যাঁ। প্রতিষ্ঠান ধরে কমিশন ক্লেইম হয় এবং আদায় বা রাইট-অফ না হওয়া পর্যন্ত পাওনা হিসেবে থাকে।

সম্পর্কিত

Read this page in English →

নিজের টিকিট দিয়েই দেখে নিন

ফ্রি ট্রায়াল — কার্ড লাগে না, কয়েক মিনিটেই সেটআপ।

Agency Automation BD ফ্রি ব্যবহার করুন