Q Share ও কনসোলিডেটর টিকেটিংয়ের হিসাব
হোস্ট এজেন্সি বা কনসোলিডেটরের মাধ্যমে টিকিট ইস্যু করলে সার্ভিস ফি, সেটেলমেন্ট ও স্টেটমেন্ট কীভাবে মেলাবেন।
হালনাগাদ: ৬ আগস্ট, ২০২৬
Q Share আসলে কী
সব এজেন্সির নিজের IATA বা PCC থাকে না। তখন টিকিট ইস্যু হয় অন্য একটি এজেন্সি বা কনসোলিডেটরের মাধ্যমে, আর তার বিনিময়ে একটি সার্ভিস ফি দিতে হয়। একেই সাধারণভাবে Q Share বলা হয়।
এতে বিক্রি আপনার, কিন্তু টিকিটের মূল খরচ যায় কনসোলিডেটরের হিসাবে — ফলে দুই পক্ষের খাতা মেলানো জরুরি হয়ে পড়ে।
যেখানে হিসাব গোলমাল হয়
সাধারণ ভুল হলো সার্ভিস ফি আলাদা করে না রাখা। তখন লাভ বেশি দেখায়, অথচ মাস শেষে কনসোলিডেটরের স্টেটমেন্টের সাথে মেলে না।
আরেকটি ভুল — রিফান্ড ও রি-ইস্যুর সময় মূল টিকিটের সাথে সম্পর্ক না রাখা। এতে একই টিকিট দুইবার হিসাবে চলে আসে।
যেভাবে গোছানো থাকে
প্রতিটি টিকিটের সাথে কোন কনসোলিডেটরের মাধ্যমে ইস্যু হয়েছে, সার্ভিস ফি কত, আর সেটেলমেন্ট হয়েছে কি না — এই তিনটি তথ্য থাকলে স্টেটমেন্ট মেলানো কয়েক মিনিটের কাজ।
রি-ইস্যু বা রিফান্ড হলে তা মূল টিকিটের সাথেই যুক্ত থাকা উচিত, যাতে একটি বুকিংয়ের পুরো ইতিহাস এক জায়গায় দেখা যায়।
TAMS Pro — ট্রাভেল এজেন্সি সফটওয়্যার
এই কাজগুলো এক জায়গায় করার জন্যই বানানো।
ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুনআরও পড়ুন
- GDS থেকে টিকিট অটো ক্যাপচার কীভাবে কাজ করে
টিকিট ইস্যুর পর আর হাতে PNR তোলার দরকার নেই — কীভাবে, আর কী কী লাগে।
- হোয়াটসঅ্যাপে ইনভয়েস ও টিকিট পাঠানো — এজেন্সির জন্য পূর্ণ গাইড
নিজের নম্বর না অফিশিয়াল API — কোনটা কার জন্য, আর খরচ কত।
- ট্রাভেল এজেন্সির হিসাব ও বকেয়া ব্যবস্থাপনা
কে কত পাবে, কাকে কত দিতে হবে, আর কোন টিকিটে আসলে লাভ হলো।