ট্রাভেল এজেন্সির হিসাব ও বকেয়া ব্যবস্থাপনা

ক্লায়েন্টের বকেয়া, ভেন্ডরের পাওনা আর টিকিটপ্রতি লাভ — এজেন্সির হিসাব গুছিয়ে রাখার বাস্তব পদ্ধতি।

হালনাগাদ: ৬ আগস্ট, ২০২৬

তিনটি আলাদা প্রশ্ন

এজেন্সির হিসাবে মূলত তিনটি প্রশ্নের উত্তর লাগে: ক্লায়েন্টদের কাছে কত পাওনা, ভেন্ডরদের কত দিতে হবে, আর প্রতিটি টিকিটে আসলে কত লাভ হলো।

খাতায় বা এক্সেলে এই তিনটি সাধারণত আলাদা জায়গায় থাকে, তাই একটির সাথে আরেকটি মেলে না — আর মাস শেষে কোনটি সঠিক তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।

বকেয়া একটি চলমান হিসাব, মাসের নয়

একটি ভুল খুব সাধারণ: মাসের রিপোর্ট দেখে বকেয়া বের করা। কিন্তু কোনো ক্লায়েন্ট গত মাসের টিকিটের টাকা এ মাসে দিলে, শুধু এ মাসের হিসাব দেখলে তা ভুল দেখাবে।

বকেয়া সবসময় শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মোট হিসাব — কোনো নির্দিষ্ট সময়ের নয়। TAMS Pro-তে ক্লায়েন্ট ও ভেন্ডরের ব্যালেন্স সবসময় এই নিয়মেই দেখানো হয়।

টিকিটপ্রতি লাভ

লাভ বের হয় বিক্রয়মূল্য থেকে ক্রয়মূল্য বাদ দিয়ে। কিন্তু কনসোলিডেটর বা Q Share-এর টিকিটে সার্ভিস ফি আর কমিশন যোগ হওয়ায় হিসাবটা জটিল হয়ে যায়।

সফটওয়্যারে প্রতিটি টিকিটের সাথে ক্রয়মূল্য, বিক্রয়মূল্য আর বাড়তি খরচ একসাথে থাকলে লাভ নিজে থেকেই বেরিয়ে আসে — আলাদা করে বসে হিসাব করতে হয় না।

রিপোর্ট যা কাজে লাগে

দৈনিক বিক্রি, ক্লায়েন্টভিত্তিক বকেয়া, ভেন্ডরভিত্তিক পাওনা, স্টাফভিত্তিক বিক্রি আর মাসিক লাভ-ক্ষতি — এই কয়টি থাকলে বেশিরভাগ এজেন্সির প্রয়োজন মিটে যায়।

রিপোর্ট এমন হওয়া উচিত যা এক নজরে বোঝা যায় এবং প্রয়োজনে PDF বা এক্সেলে নেওয়া যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পুরনো বকেয়া কি তোলা যাবে?

যাবে। ক্লায়েন্ট ও ভেন্ডরের বর্তমান ব্যালেন্স এক্সেল থেকে আমদানি করা যায়, তাই আগের হিসাব নতুন করে লিখতে হয় না।

TAMS Pro — ট্রাভেল এজেন্সি সফটওয়্যার

এই কাজগুলো এক জায়গায় করার জন্যই বানানো।

ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন

আরও পড়ুন